বিষয়বস্তুতে যান

নথি

রিপোর্ট

শাস্ত্রীয় জ্যোতিষ গ্রন্থের ভিত্তিতে, আপনার নিজের জন্মকুণ্ডলী থেকে তৈরি বিস্তারিত লিখিত রিপোর্ট। আপনার জন্য উপলব্ধ রিপোর্ট দেখতে সাইন ইন করুন।

এই যন্ত্রে এখনও কোনো কুণ্ডলী নেই। আগে আপনার জন্মকুণ্ডলী তৈরি করুন

আপনি প্রস্তুত হলে

এখনও কোনো অংশ নেই

এই ঐতিহ্যে এখনও রিপোর্টের অংশ নেই। অন্য একটি ঐতিহ্য চেষ্টা করুন।

বিস্তারিত রিপোর্ট

আপনার জন্মকুণ্ডলী থেকে বিস্তারিত জ্যোতিষ রিপোর্ট

রিপোর্ট হলো আপনার নিজের জন্মকুণ্ডলী থেকে তৈরি বিস্তারিত লিখিত ফলাদেশ। শাস্ত্রীয় জীবন রিপোর্ট, বিবাহ যোটক রিপোর্ট, কর্ম ও অর্থ রিপোর্ট, বার্ষিক ফল বা বাস্তু রিপোর্ট বেছে নিন। প্রতিটি রিপোর্ট প্রতিটি সিদ্ধান্তের কারণ বোঝায় এবং পিডিএফ হিসেবে নামানো যায়।

রিপোর্টে কী থাকে

জীবন রিপোর্ট কুণ্ডলীর ভিত্তি দিয়ে শুরু হয়, লগ্ন, চন্দ্ররাশি, নক্ষত্র ও গ্রহবল, তারপর একে একে প্রতিটি ভাব পড়ে: ধন, ভাইবোন, গৃহ, সন্তান, স্বাস্থ্য, বিবাহ, আয়ু, ভাগ্য, কর্ম ও লাভ। এতে থাকে প্রধান যোগ ও দোষ, দশার সময়রেখা ও প্রতিটি পর্বের সাধারণ প্রবণতা, এবং ব্যবহারিক পরামর্শ।

শাস্ত্রীয় উৎস

ফলাদেশ বৃহৎ পরাশর হোরাশাস্ত্র, ফলদীপিকা, সারাবলী ও জাতক পারিজাতের মতো গ্রন্থ অনুসারে, যুক্তি সহ দেওয়া হয়। যেখানে গ্রন্থগুলি একমত নয়, রিপোর্ট সেটাও জানায়।

পরম্পরা অনুযায়ী মহর্ষি পরাশর এই বিদ্যা শিষ্য মৈত্রেয়কে প্রশ্নোত্তরে দান করেছিলেন, আর গুরুশিষ্য ধারায় তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম পৌঁছেছে, যেমন এক প্রদীপ থেকে আরেক প্রদীপে আলো যায়।

নিজের পরম্পরা বেছে নেওয়া

রিপোর্ট কুণ্ডলীর রূপ, অয়নাংশ ও পরিভাষায় দক্ষিণ, উত্তর বা কেরল পরম্পরা মানতে পারে। বাংলায় পরিচিত পূর্ব ভারতীয় ধাঁচের কুণ্ডলীর কাছাকাছি উত্তর রীতিও বেছে নেওয়া যায়, আর বার্ষিক ফলে পয়লা বৈশাখ থেকে শুরু হওয়া বঙ্গাব্দ ও সৌর মাস বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ইত্যাদি প্রসঙ্গ হিসেবে আসে। রিপোর্ট নক্ষত্রার সব চোদ্দটি ভাষায় লেখা হয়, বাংলা সহ।

রিপোর্ট তৈরি করা

প্রথমে জন্মকুণ্ডলী তৈরি করুন, তারপর রিপোর্ট ও পছন্দের অংশ বাছুন। রিপোর্ট আপনার কুণ্ডলী থেকে গড়া হয় এবং অনলাইনে পড়ার জন্য তৈরি থাকে, পিডিএফ সহ।

মূল্য

প্রতিটি রিপোর্ট অর্থপ্রদানের আগে মূল্য দেখায়। কর সহ চূড়ান্ত অঙ্ক অর্থপ্রদানের সময় নিশ্চিত হয়। কিছু রিপোর্ট পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।

নির্দিষ্ট প্রশ্নের রিপোর্ট

কেন্দ্রীভূত রিপোর্ট জীবনের একটি দিকে গভীরে যায়। বিবাহ রিপোর্ট দুটি কুণ্ডলী ছত্রিশ গুণের অষ্টকূট ও দশ পোরুত্তমে মেলায়, মঙ্গলিক দোষ ও পাপসাম্য দেখে, এবং প্রত্যেকের সপ্তম ভাব ও নবাংশ পড়ে। কর্ম রিপোর্ট দশম ভাব, দশমপতি, দশমাংশ চক্র এবং পরিবর্তন বা উন্নতির দশা দেখে। বার্ষিক রিপোর্ট বর্ষফল এবং বৃহস্পতি, শনি, রাহু ও কেতুর গোচর মাস ধরে পড়ে। বাস্তু রিপোর্ট বাড়ি বা দপ্তরের বিন্যাস দিক ধরে দেখে।

রিপোর্ট ভালো করে পড়া

আগে ভিত্তির অংশ পড়ুন: বাকি সব তার ওপর দাঁড়িয়ে। নিশ্চিত শোনানো কথাগুলিকে প্রবণতা হিসেবে নিন, কারণ পুরো কুণ্ডলী, আপনার চেষ্টা ও পরিস্থিতি ফল গড়ে। কোনো অংশে প্রশ্ন জাগলে জ্যোতিষী ছোট পরামর্শে বুঝিয়ে দিতে পারেন।

রিপোর্ট নিন

  1. কুণ্ডলী তৈরি করুন. জন্মতথ্য দিয়ে সংরক্ষণ করুন।
  2. রিপোর্ট বাছুন. জীবন, যোটক, কর্ম, বার্ষিক বা বাস্তু।
  3. অংশ ও ভাষা বাছুন. যা পড়তে চান তা বাছুন।
  4. অর্থ দিয়ে পড়ুন. অনলাইনে পড়ুন বা পিডিএফ নামান।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

রিপোর্টের জন্য কী লাগে?

জন্মতারিখ, সঠিক সময় ও স্থান। যোটকের জন্য দুজনেরই তথ্য।

রিপোর্টে কত সময় লাগে?

বেশির ভাগ রিপোর্ট অর্থপ্রদানের কয়েক মিনিটের মধ্যে তৈরি হয়।

বাংলায় পড়তে পারি?

হ্যাঁ। রিপোর্ট সব চোদ্দটি ভাষায় আছে; তৈরির আগে ভাষা বেছে নিন।

রিপোর্ট কি কোনো মানুষ লেখেন?

রিপোর্ট শাস্ত্রীয় নিয়মে আপনার কুণ্ডলী থেকে গড়া হয়। ব্যক্তিগত ফলাদেশের জন্য জ্যোতিষী বুক করুন।

পিডিএফ নামাতে পারি?

হ্যাঁ। প্রতিটি রিপোর্ট অনলাইনে পড়া ও পিডিএফ হিসেবে নামানো যায়।

কোন রিপোর্ট বাছব?

সামগ্রিক ছবির জন্য জীবন রিপোর্ট দিয়ে শুরু করুন, অথবা বিবাহ, কর্ম বা আগামী বছরের কেন্দ্রীভূত রিপোর্ট নিন।

রিপোর্টে কি প্রতিকার আছে?

হ্যাঁ, আগে সহজ সাধনা, তারপর চাইলে রত্ন বা পূজার পরামর্শ।

জন্মসময় নিশ্চিত না হলে?

কোন অংশ সঠিক সময়ের ওপর নির্ভর করে, রিপোর্ট তা জানাবে।

অন্যের জন্য রিপোর্ট নিতে পারি?

হ্যাঁ, তাঁর সম্মতি ও জন্মতথ্য নিয়ে।

রিপোর্ট কি পরিকল্পনায় আছে?

কিছু পরিকল্পনায় এক বা একাধিক রিপোর্ট থাকে। মূল্যের পাতায় প্রতিটি পরিকল্পনায় কী আছে তা লেখা।

আগে নমুনা দেখতে পারি?

হ্যাঁ। রিপোর্ট পাঠক খুলে দেখুন রিপোর্ট কেমন সাজানো।

শাস্ত্রীয় রিপোর্ট কী?

সম্পূর্ণ শাস্ত্রীয় গ্রন্থের ওপর গড়া রিপোর্ট, প্রতিটি নিয়মের উৎস সহ।