পোরুত্তম
তামিল দশ পোরুত্তম মিলন।
উত্তর ভারতীয় মিলন
অষ্টকূট গুণ মিলন: আটটি কূট এবং ৩৬-এর মধ্যে প্রত্যেকটির নম্বর।
প্রথমে: বর
দ্বিতীয়: কনে
প্রথমে বরের জন্মের বিবরণ, তারপর কনের বিবরণ দিন।
আপনি প্রস্তুত হলে
দুজনের জন্মের বিবরণ দিয়ে মিলন দেখুন।
আপনার জন্মকুণ্ডলী তৈরি করুন।
পাতা খুলুনগুণ মিলন, এক এক করে।
পাতা খুলুনআজকের তিথি, নক্ষত্র ও শুভ সময়।
পাতা খুলুনপ্রতিকার ও অনুশীলন প্যাক।
পাতা খুলুনএকটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন করুন।
পাতা খুলুনআমাদের সব পরিষেবা।
পাতা খুলুনঅষ্টকূট মিলন
গুণ মিলন, বা অষ্টকূট মিলন, দুটি কোষ্ঠীর মিল আটটি কূটে মাপে, মোট ছত্রিশ গুণ। বাংলার রাজযোটক বিচারের কেন্দ্রেও এই অষ্টকূট। দুজনের জন্মতথ্য দিন, দেখুন প্রতিটি কূট, মোট গুণ আর জরুরি দোষগুলি।
বর্ণ (এক গুণ) আধ্যাত্মিক স্বভাব দেখে। বশ্য (দুই) পারস্পরিক প্রভাব। তারা (তিন) জন্মনক্ষত্র থেকে কুশল। যোনি (চার) পশুপ্রতীকে দৈহিক মিল। গ্রহমৈত্রী (পাঁচ) রাশিপতিদের বন্ধুত্ব। গণ (ছয়) স্বভাব। ভকূট বা রাশিকূট (সাত) রাশি থেকে সংসারের সুখ আর অর্থ। নাড়ী (আট) দৈহিক প্রকৃতি দেখে, সবচেয়ে ভারী।
নাড়ীর ধারণা আয়ুর্বেদের বাত, পিত্ত আর কফের সঙ্গে যুক্ত: ঋষিরা মনে করতেন, যেমন ঋতু শরীরের দোষ নাড়া দেয়, তেমনই জন্মনক্ষত্র প্রাণের প্রকৃতিতে ছাপ রাখে।
প্রথায় ছত্রিশে আঠারো বা বেশি গ্রহণযোগ্য, চব্বিশ থেকে বত্রিশ ভালো, বত্রিশের ওপরে উত্তম। আঠারোর কম সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয় না। কিন্তু যোগফল শুধু শুরু: নাড়ী দোষ সহ উঁচু গুণও এড়ানো হতে পারে, আবার দৃঢ় কোষ্ঠীর সঙ্গে মাঝারি গুণও চলতে পারে। বাংলার রীতিতে রাশি পরস্পর সপ্তমে বা ত্রিকোণে থাকলে রাজযোটক ধরা হয়, তখন গুণ একটু কম হলেও সম্বন্ধ ভালো মনে করা হয়।
দুজনের নাড়ী (আদ্য, মধ্য বা অন্ত্য) এক হলে নাড়ী দোষ, সেই কূটে শূন্য গুণ। ভকূট দোষ কিছু রাশি দূরত্বে হয়, যেমন ষড়াষ্টক (ছয় আট), নবপঞ্চম (নয় পাঁচ) বা দ্বিদ্বাদশ (বারো দুই)। দুটিরই শাস্ত্রীয় খণ্ডন আছে, যেমন রাশিপতি এক বা মিত্র, বা দুটি নক্ষত্র এক রাশিতে ভিন্ন পাদে। ফলাফলে কোনো খণ্ডন খাটে কি না দেখানো হয়।
মঙ্গল দোষ ছত্রিশ গুণ থেকে আলাদা দেখা হয়। এক কোষ্ঠীতে মঙ্গল নির্দিষ্ট ভাবে থাকলে জ্যোতিষী অন্যটিতেও তেমন অবস্থান খোঁজেন ভারসাম্যের জন্য। প্রতিটি কোষ্ঠীর দোষ আর ভারসাম্য আমরা দেখাই।
দক্ষিণী পরিবার দশ পোরুত্তম ব্যবহার করেন। দুই পদ্ধতিই স্বভাব, যোনি আর রাশি দেখে, কিন্তু ওজন আলাদা দেয়। দুটো দেখলে ছবি সম্পূর্ণ হয়।
ছত্রিশে অন্তত আঠারো প্রথাগত সীমা। অনেক পরিবার চব্বিশ বা বেশি চান, আর জ্যোতিষী নাড়ী, ভকূট আর মঙ্গল দোষও দেখেন।
দুজনের নাড়ী এক হলে নাড়ী কূটে শূন্য গুণ। প্রথায় এটি স্বাস্থ্য আর সন্তানের সঙ্গে যুক্ত, গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়, যদিও খণ্ডন আছে।
শাস্ত্রে খণ্ডন আছে, যেমন এক রাশি কিন্তু ভিন্ন নক্ষত্র, বা এক নক্ষত্র কিন্তু ভিন্ন রাশি বা পাদ। ফলাফলে প্রযোজ্য খণ্ডন দেখানো হয়।
রাশির কিছু দূরত্বে ভকূট কূটে অমিল। রাশিপতি এক বা পরস্পর মিত্র হলে খণ্ডন হয়।
খুব বিরল। উঁচু গুণ আনন্দ দেয়, কিন্তু শেষ কয়েক গুণের চেয়ে পুরো কোষ্ঠী বিচার বেশি জরুরি।
গুণ মিলন চন্দ্ররাশি আর নক্ষত্র ধরে, যা আনুমানিক সময়েও সাধারণত ঠিক থাকে। মঙ্গল দোষ আর কোষ্ঠী বিচারে সঠিক সময় লাগে।
স্বভাবের তুলনা: দেবগণ, নরগণ না রাক্ষসগণ। একই গণে পূর্ণ গুণ; দেব আর রাক্ষসে শূন্য।
প্রতিটি নক্ষত্রের এক পশুপ্রতীক। মিত্র পশুতে ভালো গুণ; শত্রু জোড়, যেমন বিড়াল আর ইঁদুর, কম।
না। গুণ মিলন আট কূটে ছত্রিশ গুণ দেয়; পোরুত্তম দশটি মিল দেখে। কিছু মিল আছে, কিন্তু পদ্ধতি আলাদা।
না। এর মানে দুই কোষ্ঠী মন দিয়ে দেখা দরকার। অনেক জ্যোতিষী পরামর্শের আগে নবাংশ, সপ্তম ভাব আর চলতি দশা দেখেন।
হ্যাঁ। কোষ্ঠী রেখে যত খুশি মিলন করুন।
হ্যাঁ। ফলাফল থেকে চ্যাট বা কল শুরু করুন, বা বিস্তারিত যোটক রিপোর্ট নিন।