ক্যালেন্ডার
উৎসব সহ মাসের দৃশ্য।
আপনার শহরের পঞ্জিকা: পাঁচ অঙ্গ, সূর্য ও চন্দ্র, শুভ ও অশুভ সময়, সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত।
দিন বদলাতে বাঁয়ে বা ডানে সরান
সূর্যোদয়
০৬:১৫
সূর্যাস্ত
১৭:৫৬
চন্দ্রোদয়
০৫:১৩
চন্দ্রাস্ত
১৭:০৭
তিথি (সাবধান)
চতুর্দশী
১১:২৯ পর্যন্ত
নক্ষত্র
চিত্রা
০৫:৫২ পর্যন্ত
যোগ (শুভ)
আয়ুষ্মান
০৩:০২ পর্যন্ত
করণ (সাবধান)
শকুনি
১১:২৯ পর্যন্ত
বার
রবিবার
পক্ষ
কৃষ্ণ পক্ষ
মাস
কার্তিক
সংবৎ
পরাজয়
বিক্রম সংবৎ 2083
ঋতু
শরৎ
চন্দ্র
১.৮%
কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ
আপনার জন্মকুণ্ডলী তৈরি করুন।
পাতা খুলুনগুণ মিলন, এক এক করে।
পাতা খুলুনআজকের তিথি, নক্ষত্র ও শুভ সময়।
পাতা খুলুনপ্রতিকার ও অনুশীলন প্যাক।
পাতা খুলুনএকটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন করুন।
পাতা খুলুনআমাদের সব পরিষেবা।
পাতা খুলুনআজকের পঞ্জিকা
পঞ্জিকা বাঙালির ঘরের চিরকালের সঙ্গী। প্রতিদিনের পাঁচ অঙ্গ, তিথি, বার, নক্ষত্র, যোগ আর করণ, সঙ্গে সূর্যোদয় সূর্যাস্ত, রাহুকাল, যমগণ্ড, অমৃতযোগ, মাহেন্দ্রযোগ, বারবেলা আর কালবেলা। শহর বেছে নিন, দেখুন আপনার জায়গার আজকের পঞ্জিকা।
পঞ্চ মানে পাঁচ, অঙ্গ মানে অংশ। তিথি চান্দ্র দিন, সূর্য আর চন্দ্রের কোণ থেকে তৈরি; এক চান্দ্র মাসে তিরিশ তিথি। বার সপ্তাহের দিন, তার অধিপতি এক গ্রহ। নক্ষত্র সেই চান্দ্র নিবাস যার মধ্য দিয়ে চাঁদ চলেছে। যোগ সূর্য চন্দ্রের দ্রাঘিমার যোগফলের সাতাশটি ভাগের একটি। করণ তিথির অর্ধেক। পাঁচে মিলে দিনের স্বভাব বোঝায়।
ঠাকুমারা বলতেন, পূর্ণিমায় যেমন গঙ্গায় বান ডাকে, তেমনই শরীরের রস আর মনের জোয়ারও তিথির সঙ্গে ওঠানামা করে; তাই একাদশীর উপোস, পূর্ণিমার সত্যনারায়ণ আর অমাবস্যার তর্পণ পঞ্জিকা দেখেই হয়।
হিন্দু দিন মাঝরাতে নয়, সূর্যোদয়ে শুরু হয়, আর সূর্যোদয় জায়গা অনুযায়ী আলাদা। তিথি বা নক্ষত্র দিনের মাঝখানে বদলাতে পারে, তাই একই তারিখের পঞ্জিকা কলকাতা আর শিলিগুড়িতে একটু আলাদা হতে পারে, ঢাকা বা লন্ডনের বাঙালির জন্য আরও। তাই আমরা আপনার শহরের জন্য গণনা করি।
দিনের আলোকে আট ভাগে ভাগ করা হয়। প্রতি বারে একটি ভাগ রাহুকাল, নতুন কাজ শুরুর অনুপযুক্ত; অন্য ভাগ যমগণ্ড আর গুলিক কাল। বাংলার পঞ্জিকায় বারবেলা আর কালবেলা, রাতে কালরাত্রি, বিশেষ করে মানা হয়; এই সময়ে যাত্রা, শুভকাজ বা দলিলে সই এড়ানোর রেওয়াজ আছে। সময়গুলি রোজ সূর্যোদয় সূর্যাস্তের সঙ্গে বদলায়।
বাংলা পঞ্জিকায় অমৃতযোগ আর মাহেন্দ্রযোগ শুভকাজের জন্য সবচেয়ে পরিচিত; বিয়ে, গৃহপ্রবেশ বা যাত্রার সময় বাঙালি এগুলিই খোঁজে। অভিজিৎ মুহূর্ত, স্থানীয় দুপুরের কাছাকাছি, প্রায় সব কাজের জন্য শুভ ধরা হয়। ভোরের ব্রাহ্মমুহূর্ত আর প্রতিটি গ্রহের হোরাও দেখানো হয়।
বাংলায় দুই ধারা প্রচলিত: গুপ্তপ্রেস (অন্যান্য প্রাচীন পঞ্জিকা) সূর্যসিদ্ধান্তের পুরোনো গণনা মানে, আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা আধুনিক দৃক্ গণনা। দুটোর তিথি আর লগ্নে কখনো কয়েক ঘণ্টার তফাত হয়, তাই দুর্গাপুজোর সন্ধিপুজোর সময়েও দুই মত দেখা যায়। বাংলার মাস সৌর, সংক্রান্তির পরদিন বদলায়; চান্দ্র মাস অমাবস্যায় শেষ হয়। আপনার ঘরানা বেছে নিন, যাতে পুজোর দিন আপনার পাড়ার মণ্ডপের সঙ্গে মেলে।
চান্দ্র দিন: যতক্ষণে চাঁদ সূর্যের চেয়ে বারো অংশ এগোয়। শুক্লপক্ষে পনেরো, কৃষ্ণপক্ষে পনেরো তিথি।
রাহুকাল প্রায় দেড় ঘণ্টা, বার আর আপনার সূর্যোদয় সূর্যাস্তের ওপর নির্ভর করে। আপনার শহরের আজকের সময় পাতার ওপরে আছে।
না। স্থানীয় সূর্যোদয় সূর্যাস্তের ওপর নির্ভর করে, তাই শহরভেদে আলাদা আর রোজ একটু বদলায়।
হিন্দু পঞ্জিকায় দিন সূর্যোদয়ে শুরু। সূর্যোদয়ে যে তিথি আর নক্ষত্র থাকে, সাধারণত দিনটি সেই নামেই পরিচিত।
বাংলা পঞ্জিকার দুটি শুভ সময়, বার আর তিথি অনুযায়ী দিনে রাতে কয়েকবার আসে। শুভকাজ, যাত্রা বা কেনাকাটার জন্য এগুলি বেছে নেওয়া হয়।
গুপ্তপ্রেস প্রাচীন সূর্যসিদ্ধান্তের সূত্র মানে, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা। তিথি আর নক্ষত্রের সময়ে কয়েক ঘণ্টা তফাত হতে পারে।
বৈশাখ থেকে চৈত্র বাংলার সৌর মাস, সূর্যের রাশি বদলে বদলায়। পুজো পার্বণের তিথি চান্দ্র মাসে, যা অমাবস্যায় শেষ হয়।
বার অনুযায়ী দিনের কিছু অংশ, যা শুভকাজের পক্ষে বর্জনীয়। রাতের এমন অংশকে কালরাত্রি বলে।
দিনের আরেকটি অংশ, নতুন কাজ শুরুর পক্ষে অশুভ। রাহুকালের মতো এর সময়ও বার আর সূর্যোদয়ের ওপর নির্ভর করে।
হ্যাঁ। তারিখ বেছে যে কোনো দিন দেখুন, বা মাসের ক্যালেন্ডার খুলুন।
যেখানে আপনি আজ আছেন, বা যেখানে অনুষ্ঠান হবে।
হ্যাঁ। সেদিনের পুজো, ব্রত আর উৎসব দেখানো হয়, আর উৎসব পাতায় সারা বছরের তারিখ আছে।