গুণ মিলন
উত্তর ভারতের অষ্টকূট মিলন।
মিলন
স্পষ্ট গুণ সহ জুটির গুণ: আলোচনার জন্য, রায়ের জন্য নয়।
প্রথমে: বর
দ্বিতীয়: কনে
প্রথমে বরের জন্মের বিবরণ, তারপর কনের বিবরণ দিন।
আপনার জন্মকুণ্ডলী তৈরি করুন।
পাতা খুলুনগুণ মিলন, এক এক করে।
পাতা খুলুনআজকের তিথি, নক্ষত্র ও শুভ সময়।
পাতা খুলুনপ্রতিকার ও অনুশীলন প্যাক।
পাতা খুলুনএকটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন করুন।
পাতা খুলুনআমাদের সব পরিষেবা।
পাতা খুলুনবিবাহের যোটক
পোরুত্তম দক্ষিণ ভারতের বিবাহ মিলনের পদ্ধতি। এতে পাত্রী আর পাত্রের জন্মনক্ষত্র দশটি মিলের নিরিখে দেখা হয়, দিনম থেকে বেধৈ পর্যন্ত। বাংলায় আমরা রাজযোটক বিচার করি, কিন্তু দক্ষিণী পরিবারের সঙ্গে সম্বন্ধ হলে বা দ্বিতীয় মত চাইলে এই পাতা দুজনের তথ্য নিয়ে প্রতিটি পোরুত্তম পরিষ্কার ব্যাখ্যায় দেখায়।
দুজনের জন্মনক্ষত্র, যে নক্ষত্রে জন্মকালে চন্দ্র ছিল, সেটিই ভিত্তি। দশ পোরুত্তম দুই নক্ষত্রের দূরত্ব গোনে, গণ, যোনি, রাশি আর রাশিপতির তুলনা করে, আর কিছু নির্দিষ্ট বিরোধ দেখে। প্রথা অনুযায়ী গণনা পাত্রীর নক্ষত্র থেকে পাত্রের নক্ষত্রের দিকে।
দিনম স্বাস্থ্য আর দৈনন্দিন সদ্ভাবের সঙ্গে যুক্ত। গণম স্বভাব দেখে: দেব, নর না রাক্ষস। মহেন্দ্রম সন্তান আর বংশধারার সঙ্গে। স্ত্রীদীর্ঘম স্ত্রীর মঙ্গল আর সমৃদ্ধির সঙ্গে। যোনি পশুপ্রতীক দিয়ে দৈহিক মিল। রাশি চন্দ্ররাশির তুলনা, রাশ্যধিপতি তাদের অধিপতির। বশ্যম পারস্পরিক আকর্ষণ। রজ্জু দাম্পত্যের আয়ুর সঙ্গে যুক্ত, খুব গুরুত্বপূর্ণ। বেধৈ সেই নক্ষত্রজোড় দেখে যারা পরস্পরকে বাধা দেয়।
পরিবার আর জ্যোতিষী রজ্জু আর বেধৈকে অপরিহার্য ধরেন: এর যে কোনো একটিতে অমিল গুরুতর। তারপর দিনম, গণম, যোনি, রাশি আর স্ত্রীদীর্ঘম। অনেকে অন্তত পাঁচ ছয়টি মিল দেখেন, কিন্তু শুধু সংখ্যাই সব নয়।
পোরুত্তম নক্ষত্র মেলায়, কিন্তু পূর্ণ বিচারে দুই কোষ্ঠী সামগ্রিকভাবে দেখা হয়: সপ্তম ভাব আর তার অধিপতি, শুক্র আর বৃহস্পতি, নবাংশ, মঙ্গল দোষ আর রাহু কেতুর অবস্থান। অভিজ্ঞ জ্যোতিষী এগুলি ওজন করেন। নক্ষত্র আগে পোরুত্তম সারণি, পরে এই দিকগুলি দেখায়।
ঠাকুমারা বলতেন, জন্ম মৃত্যু বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে; ঋষিরা নক্ষত্রকে সেই বিধিলিপি পড়ার এক পথ মনে করতেন, যেমন চাঁদের কলায় মনের জোয়ার ভাটা বদলায়।
বাংলার রাজযোটক বিচারে অষ্টকূটের ছত্রিশ গুণ দেখা হয়, সঙ্গে রাশি আর নক্ষত্রের সম্পর্ক বিশেষ গুরুত্ব পায়; রাশি সপ্তম সপ্তম হলে বা ত্রিকোণে থাকলে রাজযোটক ধরা হয়। পোরুত্তম আর রাজযোটক দুটোতেই গণ, যোনি আর রাশি আছে, কিন্তু এক নয়; জোড় একটিতে ভালো, অন্যটিতে দুর্বল আসতে পারে। দক্ষিণের রজ্জু আর আমাদের নাড়ী দুটোই স্বাস্থ্য আর আয়ু নিয়ে চিন্তা করে। একই জোড়ের জন্য দুটোই দেখতে পারেন।
অনেক পরিবার দশটির মধ্যে অন্তত ছয়টি দেখেন, রজ্জু আর বেধৈ মিলতে হবে। জ্যোতিষী পুরো কোষ্ঠীও দেখেন, তাই সংখ্যা শুরু মাত্র, নিয়ম নয়।
রজ্জু সাতাশ নক্ষত্রকে দেহের পাঁচ অংশে ভাগ করে। দুজনের নক্ষত্র একই রজ্জুতে পড়লে প্রথায় তা দাম্পত্যের আয়ুর সঙ্গে যুক্ত গুরুতর অমিল।
কিছু নক্ষত্রজোড় পরস্পরকে বাধা দেয় বলে ধরা হয়। পাত্র পাত্রীর নক্ষত্র এমন জোড় হলে সম্বন্ধ সাধারণত এড়ানো হয়।
কিছু একই নক্ষত্রের জোড় চলে, কিছু চলে না, নক্ষত্র আর পাদ অনুযায়ী। ফলাফলে প্রযোজ্য নিয়ম দেখানো হয়।
পোরুত্তম চন্দ্রের নক্ষত্র ধরে, যা আনুমানিক সময়েও সাধারণত ঠিক থাকে। মঙ্গল দোষের মতো কোষ্ঠী বিচারে সঠিক সময় লাগে।
গণ প্রতিটি নক্ষত্রকে দেবগণ (কোমল), নরগণ (মানবিক) বা রাক্ষসগণ (তীব্র) ধরে। একই গণ সবচেয়ে ভালো; দেব আর নর চলে; রাক্ষস আর দেব প্রথায় এড়ানো হয়।
না। পোরুত্তম দশটি মিল দেখে, দক্ষিণে চলে; রাজযোটক অষ্টকূটের ছত্রিশ গুণ আর রাশিসম্পর্ক দেখে, বাংলায় চলে।
পোরুত্তম নিজে নয়, কিন্তু নক্ষত্র দুই কোষ্ঠীতে আলাদাভাবে মঙ্গল দোষ দেখে আর দুজনের মধ্যে ভারসাম্য আছে কি না জানায়।
হ্যাঁ। অনেক জ্যোতিষী দুই কোষ্ঠীর বল, পারস্পরিক দশা আর সপ্তম ভাবকে গুরুত্ব দেন। কম সংখ্যা গভীরে দেখার কারণ, শেষ রায় নয়।
প্রথায় পাত্রীর নক্ষত্র থেকে পাত্রের দিকে। ফলাফলে প্রতিটি গণনার দিক দেখানো থাকে।
হ্যাঁ। সাইন ইন করে দুই কোষ্ঠী আর মিলন রাখুন, পরে দেখুন বা পরিবারকে দেখান।
হ্যাঁ। মিলনের ফল থেকেই জ্যোতিষীর সঙ্গে চ্যাট বা কল শুরু করুন, তিনি দুই কোষ্ঠী পুরো দেখতে পারবেন।