বিষয়বস্তুতে যান

বিনামূল্যে গণনা

ভাগ্যরত্ন

আপনার জন্মতারিখ, সময় ও স্থান থেকে নির্ণীত লগ্নের উপযোগী রত্ন। পূর্ণ কোষ্ঠী দেখার পরেই রত্ন ধারণ করুন।

এগিয়ে যেতে জন্মস্থান বেছে নিন।

আপনি প্রস্তুত হলে

ভাগ্যরত্ন

ওপরে বিবরণ দিলে ফলাফল এখানে দেখা যাবে।

ভাগ্যরত্ন

ভাগ্যরত্ন: আপনার কুষ্ঠি যে রত্নের দিকে ইঙ্গিত করে

জন্মের বিবরণ দিন, লগ্নপতি, পঞ্চমপতি ও নবমপতি থেকে আপনার জীবনরত্ন, ভাগ্যরত্ন ও পুণ্যরত্ন দেখুন; প্রতিটি পরার আঙুল, ধাতু, বার ও ওজন ঐতিহ্য অনুযায়ী।

ভাগ্যরত্ন কী?

জ্যোতিষে নয়টি গ্রহের প্রত্যেকের একটি রত্ন; মিলে নবরত্ন: সূর্যের চুনি (মাণিক্য), চন্দ্রের মুক্তা, মঙ্গলের প্রবাল, বুধের পান্না, বৃহস্পতির পোখরাজ, শুক্রের হীরা, শনির নীলা, রাহুর গোমেদ, কেতুর বৈদূর্য বা ক্যাটস আই। কুষ্ঠির যে গ্রহের আলো আরও দরকার, তাকে বল দিতে রত্ন পরা হয়। লগ্নপতির রত্ন জীবনরত্ন, স্বাস্থ্য ও স্থিরতার জন্য; পঞ্চমপতির রত্ন ভাগ্যরত্ন, সন্তান, বিদ্যা ও বিবেকের জন্য; নবমপতির রত্ন পুণ্যরত্ন, আশীর্বাদ, গুরুজন ও ধর্মের জন্য। এই তিনটি ত্রিকোণ, তাই পরিবারগুলি আগে এগুলিই দেখে। রত্ন স্বচ্ছ, ভালো রঙের ও ফাটলহীন হওয়া চাই, রত্নপরীক্ষার শাস্ত্র এমনই বলে। বাংলার পরিবারে পঞ্জিকা দেখে শুভ দিনে রত্ন ধারণের রীতি বহু পুরোনো।

রত্ন কীভাবে বাছা হয়

জন্মের তারিখ, সময় ও স্থান দিয়ে কুষ্ঠি গণনা করে লগ্ন দেখা হয়। প্রথম, পঞ্চম ও নবম পতি থেকে তিনটি রত্ন। তারপর প্রতিটি পতির বল: দুর্বল, অস্তগত বা দুঃস্থানে থাকা পতিকেই রত্ন সাহায্য করে। ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ পতির রত্ন সাধারণত দেওয়া হয় না। নীলা ও গোমেদ আংটিতে বসানোর আগে তিন দিন বালিশের নিচে রেখে দেখা অনেক পরিবারের রীতি।

ঐতিহ্য মেনে ধারণ

চুনি সোনায় অনামিকায় রবিবার সকালে; মুক্তা রুপোয় কনিষ্ঠায় সোমবার; প্রবাল সোনা বা তামায় অনামিকায় মঙ্গলবার; পান্না সোনায় কনিষ্ঠায় বুধবার; পোখরাজ সোনায় তর্জনীতে বৃহস্পতিবার; হীরা রুপোয় শুক্রবার; নীলা, গোমেদ, বৈদূর্য রুপো বা পঞ্চধাতুতে মধ্যমায় শনিবার। ওজন রতিতে, দেহের ওজনের প্রতি দশ বারো কিলোয় প্রায় এক রতি, অন্তত তিন। ধারণের আগে কাঁচা দুধ ও গঙ্গাজলে স্নান করিয়ে গ্রহের মন্ত্র জপ করা হয়।

ভাগ্যরত্ন

  1. জন্ম বিবরণ. তারিখ, সঠিক সময়, স্থান।
  2. তিনটি রত্ন. প্রথম, পঞ্চম, নবম পতি।
  3. টীকা. এড়ানোর ও আগে পরীক্ষার রত্ন।
  4. উপযুক্ত বারে পরুন. আঙুল, ধাতু, ওজন, স্নান, মন্ত্র।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আমার ভাগ্যরত্ন কোনটি?

পঞ্চমপতির রত্ন ভাগ্যরত্ন; লগ্নপতির জীবনরত্ন; নবমপতির পুণ্যরত্ন।

নবরত্ন কী কী?

চুনি, মুক্তা, প্রবাল, পান্না, পোখরাজ, হীরা, নীলা, গোমেদ, বৈদূর্য।

শুধু রাশি দেখে বাছা যায়?

অনেকে তাই করেন; ঐতিহ্য লগ্নকেই অগ্রাধিকার দেয়।

কোন আঙুলে পরব?

চুনি, প্রবাল অনামিকা; মুক্তা, পান্না কনিষ্ঠা; পোখরাজ তর্জনী; নীলা, গোমেদ, বৈদূর্য মধ্যমা।

কত ওজন?

দেহের ওজনের প্রতি দশ বারো কিলোয় প্রায় এক রতি, অন্তত তিন।

নীলা আগে পরীক্ষা কেন?

শনি দ্রুত ফল দেয়, তাই তিন দিন রেখে দেখা হয়।

উপরত্ন কী?

একই গ্রহের বিকল্প রত্ন, যেমন চুনির জায়গায় গার্নেট।

একাধিক পরা যায়?

গ্রহেরা মিত্র হলে হ্যাঁ; চুনি আর নীলা একসঙ্গে পরা হয় না।